বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস; তারিখ, ইতিহাস, শুভেচ্ছা বার্তা, উক্তি ও ছবি

একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সবচেয়ে ভালো একটি সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। আরো বলা যায় পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকারব্যবস্থা গুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের সরকারব্যবস্থার সবচেয়ে জনপ্রিয়। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় একজন মানুষ নিজে সরাসরি দেশ পরিচালনার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারে। এ সরকার ব্যবস্থাপনায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, সে সরকারকেই বলা হয় দেশ, মাটি এবং জনগণের সরকার। তাই একটি দেশের উন্নয়নের জন্য গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার বিকল্প নেই। কোন সরকার যদি উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ এই সরকারকে ত্যাগ করে নতুন সরকার বেছে নেয়। এখানেই অন্যান্য যেকোন সরকারব্যবস্থা তুলনায় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার পার্থক্য প্রতীয়মান হয়। আপনি যদি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে ঠিক জায়গায় এসেছেন। এই নিবন্ধে আমরা আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

গণতন্ত্র দিবসের ইতিহাস

গণতন্ত্র একটি দেশের সরকার ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা। এই পদ্ধতিতে সরকার নির্বাচিত হলে সেই সরকারের দেশ এবং মানুষের সরকার হয়। তাই ২০০৭ সালে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র চর্চাকে আরো বেগবান করার জন্য আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই প্রেক্ষাপটে পনেরোই সেপ্টেম্বর তারিখ হতে নিয়মিত প্রতিবছর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয়ে আসছে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কবে?

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে অনেকেই ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে থাকেন। অনেকেই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? যেহেতু খুব সম্প্রতি এই দিবসটি চালু হয়েছে তাই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস সম্পর্কে অনেকেই সেভাবে জানেনা। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ২০০৭ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে। এবং আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখে পালন করা।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা

গণতন্ত্রকে আরো বেগবান করার জন্য এবং সরকারকে আরো জবাবদিহিতার মধ্যে আনার জন্য গণতন্ত্র চর্চা করা অত্যন্ত জরুরী। যে দেশে গনতন্ত্র থাকেনা সে দেশের মানুষ পূর্ণ স্বাধীন নয় বলে অনেকে মনে করেন। কারণ গণতন্ত্র থাকলেই সেই দেশের মানুষ নিজের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সেদেশের সরকার ব্যবস্থায় জড়িত হতে পারে। আবার একটি দেশে গণতন্ত্র থাকলেই যে দেশটি সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হবে তাও কিন্তু নয়। এর জন্য গণতন্ত্রের সঠিক ব্যবহার প্রয়োজন। তাই গণতন্ত্র চর্চাকে আরো বেগবান করার জন্য গণতন্ত্র দিবসে আপনি আপনার প্রিয় জন বন্ধু-বান্ধব অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় গণতন্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। অথবা বন্ধুবান্ধব আত্মীয় স্বজনকে গণতন্ত্রের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। আমি গণতন্ত্রের দিবসে কিছু শুভেচ্ছাপত্র নিচে সংযুক্ত করছি।

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস

প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গণতন্ত্র মুক্তি দিবস এরকম বিষয়ে ইন্টারনেট অনুসন্ধান করেন। হাজার ৮০ দশক অতঃপর ৯০ দশকে । এছাড়াও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস  নামে স্বতন্ত্র একটি দিবস বাংলাদেশে পালন করা হয়।যখন বাংলাদেশের স্বৈরাচার সরকার দেশ পরিচালনা করছিল, তখন সেই স্বৈরাচার সরকারের বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে সংগ্রাম করে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটেছিল। মূলত তখন থেকে গণতন্ত্র মুক্ত দিবস পালিত হয়ে আছে। গণতন্ত্র মুক্তি দিবস  এই দিবসটি সম্পর্কে আমার পরবর্তী আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা আছে। ৬ ডিসেম্বর, গণতন্ত্র মুক্তি দিবস ।

গণতন্ত্রের মূল মন্ত্র কি?

জনগণ ও গণতন্ত্রের স্বার্থকে ধূলিসাৎ করার অধিকার জনগণ তথা সংবিধান সরকার বা কোনো রাজনৈতিক দলকে দেয় না। মতানৈক্য থাকবে। তা সত্ত্বেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র।

বিশ্ব গণতন্ত্র দিবসের উক্তি ও ছবি

গণতন্ত্র একটি দেশের সরকার কাঠামো সবচেয়ে ভালো একটি ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার জন্য পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষী কোন গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা আগে অনুভব করেছিল, সে জন্য বিখ্যাত কিছু উক্তি তারা দিয়ে গেছেন। এরকমই কিছু উক্তি আমি নিচে সংযুক্ত করছি।

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস
গণতন্ত্র মুক্তি দিবস

Democracy is a government of the people, by the people and for the people‘ is said by Abraham Lincoln

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *